রেওয়ামিলের দুই পাশ মিলার কারণ | রেওয়ামিল | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

রেওয়ামিলের দুই পাশ মিলার কারণ | রেওয়ামিল, চূড়ান্ত হিসাব প্রস্তুতের পূর্বে হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাইয়ের প্রয়োজন হয়। একটি আলাদা কাগজে খতিয়ানের ডেবিট ও ক্রেডিট জেরগুলো লিখলে যোগফল যদি সমান হয়, তবে হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া যায়। এ আলাদা কাগজে খতিয়ানের জেরগুলো দিয়ে যে বিবরণী তৈরি করা হয়, তাই রেওয়ামিল এবং এটি হিসাব চক্রের তৃতীয় ধাপ। রেওয়ামিল তৈরির ফলে হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাইয়ের পাশাপাশি চূড়ান্ত হিসাব প্রস্তুত প্রক্রিয়া অনেকটাই সহজ হয়। তবে রেওয়ামিল হিসাবের অপরিহার্য অঙ্গ নয়। রেওয়ামিল ছাড়াও খতিয়ানের জের হতে সরাসরি চূড়ান্ত হিসাব প্রস্তুত সম্ভব।

রেওয়ামিলের দুই পাশ মিলার কারণ | রেওয়ামিল | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

 

রেওয়ামিলের দুই পাশ মিলার কারণ | রেওয়ামিল | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

 

রেওয়ামিলের সংজ্ঞা 

নির্দিষ্ট হিসাবকাল শেষে খতিয়ানের ডেবিট ও ক্রেডিট-জেরগুলো যোগফলের মাধ্যমে যে বিবরণী বা তালিকা প্রস্তুত করা হয় তাকে রেওয়ামিল বলে। খতিয়ানের ডেবিট ও ক্রেডিট জেরগুলোর যোগফল যদি সমান হয়, তবে হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া যায়। রেওয়ামিল তৈরির ফলে হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাইয়ের পাশাপাশি চূড়ান্ত হিসাব প্রস্তুত প্রক্রিয়া অনেকটাই সহজ হয়। রেওয়ামিল হিসাব চক্রের তৃতীয় ধাপ ।

 

রেওয়ামিলের দুই পার্শ্ব মিলবার কারণ 

দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনের দু’টি পক্ষকে ডেবিট ও ক্রেডিট বিশ্লেষণ করে একটি পক্ষকে যত টাকায় ডেবিট করা হয় অন্য পক্ষটিকে ঠিক সমপরিমাণ টাকায় ক্রেডিট করা হয়। এজন্য খতিয়ান হিসাব খাতগুলোকে সকল লেনদেনের জন্য বিভিন্ন হিসাব যত টাকায় ডেবিট করা হয়। অপর পক্ষীয় হিসাব খাতগুলো ঠিক সমপরিমাণ টাকায় ক্রেডিট করা হয়ে থাকে। সুতরাং খতিয়ানের হিসাবগুলো গাণিতিকভাবে শুদ্ধ থাকলে এদের উদ্বৃত্ত বা যোগফলগুলো নিয়ে রেওয়ামিল প্রস্তুত করা হলে রেওয়ামিলের দুই পার্শ্বের যোগফল মিলে যাবে।

 

রেওয়ামিলের দুই পাশ মিলার কারণ | রেওয়ামিল | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

Leave a Comment