বুককিপিং-এর সূত্র প্রয়োগ | হিসাব লিখন বা দাখিলা পদ্ধতি | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

বুককিপিং-এর সূত্র প্রয়োগ | হিসাব লিখন বা দাখিলা পদ্ধতি, বিভিন্ন প্রকার হিসাবের লেনদেনগুলোর ডেবিট এবং ক্রেডিট নির্ণয়ের জন্য দু’টি পদ্ধতি রয়েছে। এর একটি হলো সনাতন বা প্রচলিত পদ্ধতি এবং অপরটি হলো আধুনিক পদ্ধতি । সনাতন বা প্রচলিত পদ্ধতি অনুযায়ী ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয়ের নিয়মাবলি :

বুককিপিং-এর সূত্র প্রয়োগ | হিসাব লিখন বা দাখিলা পদ্ধতি | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

 

বুককিপিং-এর সূত্র প্রয়োগ | হিসাব লিখন বা দাখিলা পদ্ধতি | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

 

(১) ব্যক্তিবাচক হিসাব (Personal Account) 

গ্রহীতা – ডেবিট (Debit the Receiver)

দাতা – ক্রেডিট (Credit the Giver)

(২) সম্পত্তিবাচক হিসাব (Real Account)

যা আসে – ডেবিট (Debit What Comes in )

যা, চলে যায় – ক্রেডিট (Credit what Goes out)

(৩) নামিক বা আয়-ব্যয় বাচক হিসাব (Nominal Account) 

সমস্ত ব্যয় বা লোকসান – ডেবিট (Debit all Expenses and Loses)

সমস্ত আয় এবং লাভ ক্রেডিট (Credit all Incomes and Gains) 

ডেবিট এবং ক্রেডিট নির্ণয়ের উপরিউক্ত  সূত্রটি নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো :

 

বুককিপিং-এর সূত্র প্রয়োগ | হিসাব লিখন বা দাখিলা পদ্ধতি | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

 

(১) ব্যক্তিবাচক হিসাবের ক্ষেত্রে:

এ হিসাবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো কিছু গ্রহণ করলে বা সুবিধা পেলে ঐ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান হবে ডেবিট। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সুবিধা প্রদান করে সে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান হবে ক্রেডিট । 

(২) সম্পত্তিবাচক হিসাবের ক্ষেত্রে:

যদি কোনো লেনদেনের মাধ্যমে সম্পত্তি আগমন করে বা বৃদ্ধি পায় তা হলে উক্ত সম্পত্তির হিসাব খাতটি ডেবিট হবে। পক্ষান্তরে, যদি কোনো লেনদেনের মাধ্যমে সম্পত্তি চলে যায় বা হ্রাস পায় তাহলে।

উক্ত সম্পত্তি হিসাব খাতটি ক্রেডিট হবে।

(৩) নামিক বা আয়-ব্যয় বাচক হিসাবের ক্ষেত্রে:

কোনো লেনদেন সংঘটিত হওয়ার ফলে যদি কোনো হিসাবের ব্যয় বা লোকসান হয় তবে সংশ্লিষ্ট হিসাবটি ডেবিট হবে। পক্ষান্তরে, কোনো লেনদেনের মাধ্যমে আয় বা লাভ হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবটি ক্রেডিট হবে।

Leave a Comment