মালিকানার স্বত্ব, চালান, ক্যাশমেমো আজকের আলোচনার বিষয়। চালান, ক্যাশমেমো, মালিকানার স্বত্ব [ Invoices, Cash memo, ownership rights ] ক্লাসটি এসএসসি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর হিসাববিজ্ঞান (SSC Class 9 10 Accounting) এর, ২য় অধ্যায় [Chapter 2] এর ক্লাস যার অধ্যায় শিরোনাম হিসাববিজ্ঞান ।
Table of Contents
মালিকানার স্বত্ব, চালান, ক্যাশমেমো
মালিকানার স্বত্ব
মালিকানা স্বত্বের বিশ্লেষণ মালিকানা স্বত্বের সূত্র
মালিকানা স্বত্ব বা OE কে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়। মালিকানা স্বত্ব OE = মুলধন (C) + আয় (R) – ব্যয়(E) – উত্তোলন (D) মালিকানা স্বত্ব বের করার সূত্রটি হল OE = C + R -E – D
অর্থাৎ ব্যবসায়ের মোট মুলধনের সাথে আয় যোগ ও ব্যয় ও উত্তোলন বাদ দিলে মালিকানা স্বত্ব পাওয়া যায়।

মালিকানা স্বত্ব বিবরণী তৈরি করা।
হিাাববিজ্ঞানের যে বিবরণী বা ছকের মাধ্যমে মালিকানা স্বত্ব নির্ণয় করা হয় তাকে মালিকানা স্বত্ব বিবরণী বলে।
অন্যভাবে বলতে গেলে, যে বিবরণী ছকে মালিকানা স্বত্বের গানিতিক সূত্র (OE = C+R-E-D) প্রয়োগ করে মালিকানা স্বত্ব নির্ণয় করা হয়, তাকেই মালিকানা স্বত্ব বিবরণী বলে।
মালিকানা স্বত্ব বিবরণী তৈরির ধাপসমূহঃ
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে মালিকানা স্বত্বের মধ্যে ৪টি উপাদান রয়েছে তা হল মুলধন, আয়, ব্যয়, উত্তোলন।
মুলধন
হিসাব কালের বা ব্যবসা শুরুর দিনের যে মুলধন রয়েছে তা হল প্রারম্ভিক মুলধন। এটির সাথে আরো অন্য্যন্য মুলধন সব যোগ করে মোট মুলধন নির্ণয় করা।
আয় (R) – ব্যয়(R) = নিট লাভ নির্ণয় করা।
আমরা সবাই জানি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মোট আয় থেকে মোট ব্যায় বাদ দিলে আমরা নিট মুনাফা পায়। আর মালিকানা স্বত্বে যে আয় – ব্যয় রয়েছে তার সেটার অর্থ হল লাভ বা লোকসান। তাই ঐ আয় – ব্যয় এর জায়গাই নিট লাভ/ক্ষতি ও বলা যায়। মালিকানা স্বত্ব নির্ণয় করতে, নিট লাভ/ক্ষতি অবশ্যই নির্ণয় করতে হবে।
চালান
চালান কে তৈরি করে
যখন ব্যবসায়ে কোন ক্রয় বা বিক্রয় বাকিতে হয়ে থাকে তখন বিক্রেতা প্রমাণসরূপ একটি চালান তৈরি করে তা ক্রেতাকে প্রদান করে থাকে।
চালান অনুযায়ী ক্রেতা ধারে ক্রয় সমূহ ক্রয় বই বা ক্রয় জাবেদায় লিপিবদ্ধ করে এবং বিক্রেতা ধারে বিক্রয় সমূহ তা বিক্রয় বই বা বিক্রয় জাবেদাই লিপিবদ্ধ করে থাকে।
চালানের বৈশিষ্ট্য সমূহ
- ধারে ক্রয় বিক্রয়
- বিক্রেতার স্বাক্ষর
- বিক্রেতা তৈরি করবে
চালান কত প্রকার ও কি কি
বিক্রেতার দ্বারা তৈরিকৃত চলানটির একটি কপি ক্রেতাকে দেওয়া হয়। সেই হিসাবে চলানটি কিন্তু একই। এই চালান বিক্রেতার কাছে আন্তঃ চালান ও ক্রেতার কাছে ঐ একই চালানটি বহিঃ চালান।
সেই হিসাবে, চালান ২ প্রকার। সেগুলো হল
- আন্তঃ চালান
- বহিঃ চালান

