প্রারম্ভিক মূলধন, মালিকানা স্বত্ব, মোট খরচ নির্ণয় আজকের আলোচনার বিষয়। প্রারম্ভিক মূলধন, মালিকানা-স্বত্ব, মোট খরচ নির্ণয় [Determining initial capital, ownership, total cost] ক্লাসটি এসএসসি ৯ম ও ১০ম হিসাববিজ্ঞান (SSC Class 9 10 Accounting) এর, ২য় অধ্যায় [ Chapter 2 ] এর ক্লাস যার অধ্যায় শিরোনাম “হিসাববিজ্ঞান”।
Table of Contents
প্রারম্ভিক মূলধন, মালিকানা স্বত্ব, মোট খরচ নির্ণয়
প্রারম্ভিক মূলধন
কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা নতুন ভাবে শুরু করলে, বা নতুন হিসাব কাল শুরুর দিন যে হিসাবগুলো হয়, সেগুলোর জাবেদা দাখিলা দেওয়াকে প্রারম্ভিক জাবেদা বলে।
প্রারম্ভিক জাবেদার ব্যাখ্যা
প্রতিটি ব্যবসায়ের তিনটি মূল ও প্রদান আর্থিক উপাদান হল সম্পাদ, দায়, মালিকানাস্বত্ব
প্রতিটি ব্যবসা শুরুর দিন অথবা হিসাব কালের শুরুর দিন এই তিনটি উপাদানের যে পরিমান (আর্থিক) নিয়ে ব্যবসা শুরু করা হয় তা জাবেদায় অন্তর্ভুক্ত বা তার জাবেদা দাখিলা দেওয়াকে প্রারম্ভিক জাবেদা দাখিলা বলে।
নির্দিষ্ট হিসাবকালের শেষে যে আর্থিক বিবরণী তৈরি করা হয়। তার উদ্ধৃতই হল পরবর্তী বছরের প্রারম্ভিক লেনদেন।

প্রারম্ভিক জাবেদার উদাহরণ
বিষয় আরো সহজভাবে একটি উদাহারণের সাহায্যে বোঝা যাক, ধরুন আপনার ব্যবসায়ের ২০২২ এর চুড়ান্ত বিবরণী (আর্থিক অবস্থার বিবরণী) তৈরি করলেন। আর আমরা জানি, আর্থিক অবস্থার বিবরণী তে আমরা সম্পদ, দায় ও মালিকানা স্বত্ব নির্ণয় করি।
এই ২০২২ এর মোট সম্পদ, দায় ও মালিকানা স্বত্ব যে পরিমাণ উদ্ধৃত থাকবে, তা ২০২৩ সালের ব্যবসা শুরুর দিন এর প্রারম্ভিক হবে।
তাহলে, যদি ব্যবসাটি নতুন হয়ে থাকলে, মালিক যা কিছু(সম্পদ, দায়) নিয়ে ব্যবসা শুরু করবে সব গুলোয় প্রারম্ভিক দাখিলায় অন্তর্ভুক্ত হবে।
মালিকানা স্বত্ব
মালিকানা স্বত্বের বিশ্লেষণ মালিকানা স্বত্বের সূত্র
মালিকানা স্বত্ব বা OE কে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়। মালিকানা স্বত্ব OE = মুলধন (C) + আয় (R) – ব্যয়(E) – উত্তোলন (D) মালিকানা স্বত্ব বের করার সূত্রটি হল OE = C + R -E – D
অর্থাৎ ব্যবসায়ের মোট মুলধনের সাথে আয় যোগ ও ব্যয় ও উত্তোলন বাদ দিলে মালিকানা স্বত্ব পাওয়া যায়।
মালিকানা স্বত্ব বিবরণী তৈরি করা।
হিাাববিজ্ঞানের যে বিবরণী বা ছকের মাধ্যমে মালিকানা স্বত্ব নির্ণয় করা হয় তাকে মালিকানা স্বত্ব বিবরণী বলে।
অন্যভাবে বলতে গেলে, যে বিবরণী ছকে মালিকানা স্বত্বের গানিতিক সূত্র (OE = C+R-E-D) প্রয়োগ করে মালিকানা স্বত্ব নির্ণয় করা হয়, তাকেই মালিকানা স্বত্ব বিবরণী বলে।
মালিকানা স্বত্ব বিবরণী তৈরির ধাপসমূহঃ
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে মালিকানা স্বত্বের মধ্যে ৪টি উপাদান রয়েছে তা হল মুলধন, আয়, ব্যয়, উত্তোলন।
মুলধন
হিসাব কালের বা ব্যবসা শুরুর দিনের যে মুলধন রয়েছে তা হল প্রারম্ভিক মুলধন। এটির সাথে আরো অন্য্যন্য মুলধন সব যোগ করে মোট মুলধন নির্ণয় করা।
আয় (R) – ব্যয়(R) = নিট লাভ নির্ণয় করা।
আমরা সবাই জানি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মোট আয় থেকে মোট ব্যায় বাদ দিলে আমরা নিট মুনাফা পায়। আর মালিকানা স্বত্বে যে আয় – ব্যয় রয়েছে তার সেটার অর্থ হল লাভ বা লোকসান। তাই ঐ আয় – ব্যয় এর জায়গাই নিট লাভ/ক্ষতি ও বলা যায়। মালিকানা স্বত্ব নির্ণয় করতে, নিট লাভ/ক্ষতি অবশ্যই নির্ণয় করতে হবে।
মোট খরচ নির্ণয়
মোট ব্যয়, মোট স্থির ব্যয়, মোট পরিবর্তনশীল ব্যয়, গড় ব্যয়, গড় স্থির ব্যয়, গড় পরিবর্তনশীল ব্যয়, ও প্রান্তিক ব্যয় বের করার কিছু সূত্রঃ

