চূড়ান্ত হিসাবের ধাপ বা উপাদান | চূড়ান্ত হিসাব | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

চূড়ান্ত হিসাবের ধাপ বা উপাদান | চূড়ান্ত হিসাব, চূড়ান্ত হিসাবের ধাপ বা উপাদানের চারটি স্তর রয়েছে। যা নিম্নে আলোচনা করা হলো :

চূড়ান্ত হিসাবের ধাপ বা উপাদান | চূড়ান্ত হিসাব | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

 

চূড়ান্ত হিসাবের ধাপ বা উপাদান | চূড়ান্ত হিসাব | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

 

(১) উৎপাদন হিসাব (Manufacturing Account) :

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই হিসাব উৎপাদিত পণ্যের মূল্য সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সরবরাহের কাজ করে থাকে। কেবল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানেই উৎপাদন হিসাব প্রস্তুত করা হয় ।

(২) ক্রয়-বিক্রয় হিসাব (Trading Account) :

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কারবার প্রতিষ্ঠানের ক্রয়কৃত পণ্য বিক্রয়ের ফলে যে মোট লাভ বা মোট ক্ষতি হয় তা নির্ণয় করার জন্য উক্ত সময় শেষে যে হিসাব প্রস্তুত করা হয় তাকে ক্রয়-বিক্রয় হিসাব বলে । ক্রয়-বিক্রয় হিসাব প্রস্তুতের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিষ্ঠানের মোট লাভ ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা।

(৩) লাভ-ক্ষতি হিসাদব (Profit and Loss Account) :

কোনো নির্দিষ্ট সময় শেষে কারবার নীট লাভ বা নীট ক্ষতি নির্ণয় করার উদ্দেশ্য যে হিসাব তৈরি করা হয় তাকে লাভ-ক্ষতি হিসাব (Profit and Loss Account) বলে। নির্দিষ্ট সময়ান্তে কারবারের নীট লাভ বা ক্ষতি হয়েছে তা জানার জন্য লাভ-ক্ষতি হিসাব তৈরি করা হয়ে থাকে। 

(৪) লাভ-ক্ষতি আবণ্টন হিসাব (Profit Loss Appropriation Account) :

এই হিসাব প্রস্তুত করে প্রতিষ্ঠানের লাভ বা ক্ষতিকে বিভিন্ন খাত ভিত্তিক বণ্টন করা হয়।

 

চূড়ান্ত হিসাবের ধাপ বা উপাদান | চূড়ান্ত হিসাব | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

 

(৫) উদ্বৃত্তপত্র (Balance Sheet) :

একটি নির্দিষ্ট সময় শেষে কোনো কারবার প্রতিষ্ঠানের সঠিক আর্থিক অবস্থা জানার জন্য সকল সম্পত্তি ও দায়ের যে বিবরণী প্রস্তুত করা হয় তাকে উদ্বৃত্তপত্র বলা হয়। উদ্বৃত্তপত্র কোনো হিসাব নয়, এটা একটি আর্থিক বিবরণী । উদ্বৃত্তপত্রের উভয় দিকের যোগফল সমান হয়। অর্থাৎ মোট সম্পত্তির পরিমাণের সমান মূলধন ও দায়। এটিকে হিসাব সমীকরণ বলা হয়। সমীকরণটি হলো সম্পত্তি= মূলধন ও দায়।

Leave a Comment