খতিয়ানের ছক বিশ্লেষণ | খতিয়ান | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

খতিয়ানের ছক বিশ্লেষণ | খতিয়ান, হিসাব চক্রের দ্বিতীয় ধাপে লেনদেনসমূহকে শ্রেণিবিন্যাস করে নির্দিষ্ট শিরোনামায় পৃথক পৃথকভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়। এটিই খতিয়ান। লেনদেন সংঘটিত হওয়ার পর একে ডেবিট ও ক্রেডিটে বিশ্লেষণ করে জাবেদায় লিপিবদ্ধ করা হয়। জাবেদা থেকে পরবর্তীতে খতিয়ানে এগুলো স্থানান্তর করা হয়। খতিয়ান হতে হিসাবের চূড়ান্ত ফলাফল ও কারবারের আর্থিক অবস্থা নির্ণয় করা যায়। তাছাড়াও কোন খাতে কত আয়-ব্যয়, দেনা-পাওনা নির্ণয় সম্ভব হয়। মোটকথা, খতিয়ান হিসাবের চূড়ান্ত বই বা পাকা বই। জাবেদা সংরক্ষণ না করলেও চলে, কিন্তু খতিয়ান সংরক্ষণ অপরিহার্য। 

 

খতিয়ানের ছক বিশ্লেষণ | খতিয়ান | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

 

খতিয়ানের সংজ্ঞা

হিসাব চক্রের দ্বিতীয় ধাপে লেনদেনসমূহকে নির্দিষ্ট শিরোনামায় পৃথক পৃথক হিসাবের মাধ্যমে শ্রেণিবদ্ধ করে পাকাপাকি ভাবে খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করা হয়। লেনদেন সংঘটিত হওয়ার পর তা ডেবিট ও ক্রেডিট বিশ্লেষন করে জাবেদায় লিপিবদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে জাবেদা থেকে খতিয়ানে এগুলো স্থানান্তর করা হয়। ইংরেজি লেজ (ledge) শব্দ থেকে ( ledger) শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। Ledger শব্দের বাংলা পরিভাষা খতিয়ান ।

খতিয়ানের ছক বিশ্লেষণ | খতিয়ান | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

নিচে খতিয়ান হিসাব খাতের একটি ছক দেখানো হলো :

 

খতিয়ানের ছক বিশ্লেষণ | খতিয়ান | অ্যাকাউন্টিং থিউরি
খতিয়ানের ছক বিশ্লেষণ | খতিয়ান | অ্যাকাউন্টিং থিউরি

নিচে খতিয়ান ছকটি বর্ণনা করা হলো:

 উপরের ছকটিতে দেখা যাচ্ছে হিসাব খাতটিতে সমান দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর বাম দিককে ডেবিট এবং ডান দিককে ক্রেডিট দিক বলা হয়। এর প্রত্যেক দিকে চারটি করে ঘর থাকে। যথা- তারিখ, বিবরণ, জাবেদা পৃষ্ঠা ও টাকার পরিমাণ। 

(১) তারিখ : তারিখের ঘরে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের সাল, মাস ও তারিখ উল্লেখ করা হয়?

(২) বিবরণ : বিবরণের ঘরে যে হিসাব খাতটির খতিয়ান করা হচ্ছে সে হিসাব খাতটির বিপরীত পক্ষের নাম লিখতে হয়। 

(৩) জাবেদা পৃষ্ঠা নম্বর : এ ঘরটিতে জাবেদা বইয়ের কত নম্বর পৃষ্ঠায় এন্ট্রিটি লিপিবদ্ধ আছে সে পৃষ্ঠা নম্বর এ ঘরটিতে লিপিবদ্ধ করতে হয়। 

(৪) টাকার পরিমাণ : নির্দিষ্ট সময়ে যত টাকার লেনদেন সংঘটিত হয় তা এ ঘরে লেখা হয় |

Leave a Comment